রায়পুরা প্রতিনিধি:
নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার ৬টি রেলস্টেশনের মধ্যে প্রধান স্টেশন হচ্ছে উপজেলা সদরের মেথিকান্দা। এই স্টেশনে নেই পর্যাপ্ত আন্তনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতী। যুগ যুগ ধরে বৈষম্যের শিকার রায়পুরার রেলযাত্রীদের জন্য মাত্র দু’টি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতী রয়েছে। তার মধ্যে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত দিনে ৪ বার চলাচলকারী এগারসিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনটির আংশিক যাত্রাবিরতী হয় মেথিকান্দায়।
সকালে ঢাকা অভিমুখী এবং রাতে কিশোরগঞ্জ অভিমুখী এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস ট্রেনের মেথিকান্দায় যাত্রাবিরতী থাকলেও সকালে কিশোরগঞ্জ অভিমুখী ৭৩৭ নং এবং বিকেলে ঢাকা অভিমুখী ৭৫০ নং এগারসিন্দুর এক্সপ্রেস এর স্টপেজ নেই এখানে। এতে যাত্রীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
মেথিকান্দা রেল স্টেশনে সকালে ৭৩৭ নং এবং বিকেলে ৭৫০ নং এগারসিন্দুর এক্সপ্রেস এর যাত্রাবিরতী দেওয়া হলে নরসিংদী জেলার রায়পুরা ও বেলাব উপজেলার বিপুল সংখ্যক মানুষের দীর্ঘদিনের একটি যৌক্তিক দাবি পূরণ হবে।
বিষয়টি উপলব্ধি করে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবর আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) এবং এগারোসিন্দুর গোধূলী (৭৫০) এর মেথিকান্দা রেল স্টেশনে মাত্র দুই মিনিটের যাত্রাবিরতির দাবী জানিয়ে এলাকাবাসী পক্ষে আবেদন করেছেন এয়ার কমোডর (অবঃ) মোঃ খালিদ হোসেন।
আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, মেথিকান্দা রেল স্টেশনটি রায়পুরা ও বেলাব দুটি উপজেলার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত হওয়ায় এটি এলাকার লক্ষাধিক মানুষের জন্য রেল যোগাযোগের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। এই অঞ্চলের ছাত্রছাত্রী, রাজধানীমুখী চাকরিজীবী এবং ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত ঢাকা ও কিশোরগঞ্জ রুটে যাতায়াত করেন। কিন্তু ঢাকা- কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচলকারী এই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের স্টপেজ মেথিকান্দা স্টেশনে যাত্রা বিরতী না থাকায় স্থানীয় জনগণ এর সুবিধা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছে।
মাত্র দুই মিনিটের জন্য যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হলে জনগণের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগেরই অবসান হওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।